• শিরোনাম

    ১৯৬২ সালে বাংলাদেশে প্রথম ডেঙ্গু

    | বৃহস্পতিবার, ০১ আগস্ট ২০১৯

    ১৯৬২ সালে বাংলাদেশে প্রথম ডেঙ্গু

    বাংলাদেশে ডেঙ্গুর আগমন ঘটেছিল ১৯৬২ সালে। এর পর দীর্ঘ সময় বিরতি পর ২০০০ সালে ফের বাংলাদেশে ডেঙ্গুজ্বরের প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়। এর পর থেকে কোনো বছর বাড়ছে আবার কোনো বছর কমছে ডেঙ্গু রোগী। বিগত ১৯ বছরের মধ্যে চলতি বছরই ডেঙ্গুর প্রকোপ বেশি।
    স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০০০ সাল থেকে শুরু করে ২০১৮ সাল পর্যন্ত ১৯ বছরে ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত হয়েছেন ৫০ হাজার ১৭৬ জন। মারা গেছেন ২৯৬ জন। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জুলাই মাস পর্যন্ত সময়ে আক্রান্ত হয়েছেন ১৭ হাজার ১৮৩ জন এবং মারা গেছেন ১৪ জন। সব মিলিয়ে ডেঙ্গু শুরু হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন ৬৭ হাজার এবং মারা গেছেন ৩১০ জন।
    বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইরোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. সাইফ উল্লাহ মুন্সী বলেন, ডেঙ্গু শব্দ প্রথম উচ্চারিত হয় স্পেনের রাজপ্রাসাদে। ডকুমেন্টে দেখা গেছে, একজন রাজকুমারী প্রথম ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছিলেন। এর পর ৬৯২ সালে এই রোগকে চায়না চিহ্নিত করা হয়। বিশ্বব্যাপী ৪০ শতাংশ মানুষ এই রোগের ঝু^কিতে রয়েছেন। আক্রান্তদের মধ্যে সামান্য কিছু রোগীর জটিলতা তৈরি হয়। তবে সেটি যথাযথভাবে চিকিৎসা দিলে নিরাময় হয়। বাংলাদেশে প্রথম ডেঙ্গু প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছিল ১৯৬২ সালে। এর পর আবার ২০০০ সালে এর প্রাদুর্ভাব দেখা দেয় এবং ২০০৬ সাল থেকে কমতে শুরু করে। কিন্তু ২০১৫ সালের পর এটির প্রাদুর্ভাব আবার বাড়তে শুরু করে।
    স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০০০ সালে দেশে জ্বরে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসা নিয়েছিলেন ৫৫৫১ জন এবং মারা গেছে ৯৩ জন। এর পর ২০০১ সালে আক্রান্ত ২৪৩০ জন এবং মারা গেছে ৪৪ জন। ২০০২ সালে আক্রান্ত হয়েছেন ৬২৩২ জন এবং মারা গেছে ৫৮ জন। ২০০৩ সালে আক্রান্ত হয়েছেন ৪৮৬ জন এবং মারা গেছে ১০ জন। ২০০৪ সালে আক্রান্ত হয়েছেন ৩৪৩৪ জন এবং মারা গেছে ১৩ জন। ২০০৫ সালে আক্রান্ত হয়েছেন ১০৪৮ জন এবং মারা গেছে ৪ জন।
    ২০০৬ সালে আক্রান্ত হয়েছেন ২২০০ জন এবং মারা গেছে ১১ জন। ২০০৭ সালে আক্রান্ত হয়েছেন ৪৬৬ জন, ২০০৮ সালে ১১৫৩ জন, ২০০৯ সালে ৪৭৮ জন এবং ২০১০ সালে ৪০৯ জন আক্রান্ত হলে কেউ মারা যাননি। এর পর ২০১১ সালে আক্রান্ত হয়েছেন ১৩৫৯ জন এবং মারা গেছে ৬ জন, ২০১২ সালে আক্রান্ত হয়েছেন ৬৭১ জন এবং মারা গেছে ১ জন। ২০১৩ সালে আক্রান্ত হয়েছেন ১৭৪৯ জন এবং মারা গেছে ২ জন। ২০১৪ সালে আক্রান্ত হয়েছেন ৩৭৪ জন এবং কেউ মারা যাননি। ২০১৫ সালে আক্রান্ত হয়েছেন ৩১৬২ জন এবং মারা গেছে ৬ জন। ২০১৬ সালে আক্রান্ত হয়েছেন ৬০৬০ জন এবং মারা গেছে ১৪ জন। ২০১৭ সালে আক্রান্ত হয়েছেন ২৭৬৯ জন এবং মারা গেছে ৮ জন, ২০১৮ সালে আক্রান্ত হয়েছেন ১০১৪৮ জন এবং মারা গেছে ২৬ জন। ২০১৯ সালের ৭ মাসে আক্রান্ত হয়েছে ১৭ হাজার ১৮৩ জন এবং মারা গেছেন ১৪ জন।

    Comments

    comments

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত