• শিরোনাম

    রাডার দুর্নীতি মামলা: এরশাদের আবেদন খারিজ

    অনলাইন ডেস্ক | সোমবার, ২০ মার্চ ২০১৭

    রাডার দুর্নীতি মামলা: এরশাদের আবেদন খারিজ

    সাবেক প্রেসিডেন্ট হুসেইন মুহম্মাদ এরশাদের বিরুদ্ধে রাডার ক্রয় সংক্রান্ত দুর্নীতির মামলায় নতুন সাক্ষীদের সাক্ষ্যগ্রহণ প্রশ্নে রিভিউ আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন আপিল বিভাগ।

    সোমবার প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের চার সদস্যর বেঞ্চ এ আদেশ দেন। বেঞ্চের অপর সদস্যরা হলেন- বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন, হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী মির্জা হোসাইন হায়দার।

    আদালতে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট খুরশিদ আলম খান। এরশাদের পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট সিরাজুল ইসলাম।

    আদালতের আদেশের বিষয়ে দুদকের আইনজীবী খুরশিদ আলম খান সাংবাদিকদের জানান, রাডারক্রয় সংক্রান্ত মামলাটি বিচারিক আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। আপিল বিভাগের এ আদেশের ফলে এ মামলায় নুতন করে সাক্ষী নেয়ার আর কোনো সুযোগ থাকল না।

    গত ৮ জানুয়ারি রাডার ক্রয় সংক্রান্ত মামলায় নতুন সাক্ষ্য গ্রহণে দুদকের আবেদন খারিজ করে আপিল বিভাগ। পরে এর রায়টি পুনর্বিবেচনার আবেদন করে দুদক।

    গত ২৪ নভেম্বর এরশাদের রাডার ক্রয় সক্রান্ত দুর্নীতির মামলায় বাকি সাক্ষীদের সাক্ষ্যগ্রহণের অনুমতি ও ৩১ মার্চের মধ্যে বিচার প্রক্রিয়া শেষ করতে নির্দেশ দেন হাইকোর্টের বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি জে বি এম হাসানের বেঞ্চ। পরে এই আদেশ স্থগিত চেয়ে আবেদন করেন এই মামলার আসামি বিমান বাহিনীর প্রাক্তন প্রধান সুলতান মাহমুদ।

    এরশাদ ছাড়া এই মামলার অন্য আসামিরা হলেন- বিমান বাহিনীর সাবেক সহকারী প্রধান মমতাজ উদ্দিন আহমেদ, বিমান বাহিনীর সাবেক প্রধান সুলতান মাহমুদ ও ইউনাইটেড ট্রেডার্সের পরিচালক এ কে এম মুসা। মামলার শুরু থেকে মুসা পলাতক।

    ১৯৯২ সালের ৪ মে তৎকালীন দুর্নীতি দমন ব্যুরো মামলাটি দায়ের করে। ১৯৯৪ সালের ২৭ অক্টোবর আদালতে চার্জশিট দাখিল করা হয়। ১৯৯৫ সালের ১২ আগস্ট আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে আদালত।

    মামলার অভিযোগে বলা হয়, তৎকালীন বিমান বাহিনীপ্রধান সদর উদ্দিন আহমেদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের কাছে বাহিনীর জন্য যুগোপযোগী রাডার ক্রয়ের আবেদন করেন। প্রেসিডেন্টের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক সভায় ফ্রান্সের থমসন সিএসএফ কোম্পানি নির্মিত অত্যাধুনিক একটি হাই পাওয়ার রাডার ও দু’টি লো লেভেল রাডার ক্রয়ের প্রস্তাব অনুমোদিত হয়। তৎকালীন সেনাবাহিনী প্রধান এরশাদসহ অপর আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে আর্থিক সুবিধাপ্রাপ্ত হয়ে থমসন সিএসএফ কোম্পানির রাডার না কিনে বেশি দামে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্টিং কোম্পানির রাডার কেনে। এতে সরকারের ৬৪ কোটি ৪ লাখ ৪২ হাজার ৯১৮ টাকা আর্থিক ক্ষতি হয়।

    Comments

    comments

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    যেভাবে উদ্ধার ৭৮ জন

    ২৬ মার্চ ২০১৭