• শিরোনাম

    ভারত আমাদের বন্ধু হতে পারে কিন্তু অভিভাবক নয়!

    অনলাইন ডেস্ক | শুক্রবার, ২৪ মার্চ ২০১৭

    ভারত আমাদের বন্ধু হতে পারে কিন্তু অভিভাবক নয়!

    বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে ভারতের অবদান ভুলে যাওয়ার কোন সুযোগ নেই, কিন্তু তাই বলে তাদের অভিভাবকত্ত মেনে নেয়ারও অবকাশ নেই। যারা প্রাক্তন ছাত্রলীগকে ভারত বিরোধী বলে, তারা ভুল ধারণায় আছে, বাংলাদেশের ছাত্র রাজনীতিতে এক সময় ছাত্রলীগের অনেক অবদান ছিল। হয়তো বর্তমানে বঙ্গবন্ধুর সেই আদর্শগত চেতনা আর খুঁজে পাওয়া যায় না। বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে একাত্তরের ২৩ মার্চ স্বাধীন বাংলা কেন্দ্রীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ সর্বপ্রথম আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীন বাংলার পতাকা উত্তোলন করেন। ইতিহাস স্বীকৃত এ দিনটি ‘পতাকা দিবস’ হিসেবে পালনের জন্য প্রাক্তন ছাত্রলীগ ফাউন্ডেশনের উদ্যেগে আজ বৃহসপ্রতিবার বেলা ৪টা জাতীয় প্রেসক্লাবের কনফারেন্স লাউঞ্জে এক আলোচনায় সভায় বক্তরা এসব কথা বলেন। এসময় বর্তমান সময়ের ছাত্র রাজনীতি ভুল পথে যাচ্ছে বলেও বক্তারা উল্লেখ করেন। অনুষ্ঠানে সভাপত্ত্বি করেন প্রাক্তন ছাত্রলীগের আহ্বায়ক নুরে আলম সিদ্দিকী।

    সভাপতির বক্তব্যে নূরে আলম সিদ্দিকী বলেন, প্রাক্তন ছাত্রলীগ কারও সমর্থন বা বিরোধীতা করার জন্য নয়, বলা হয় আমরা সরকার বিরোধী। স্পষ্ট বলতে চাই আমরা সরকার বিরোধী নই, এই ফাউন্ডেশন গড়ে তোলার উদ্দেশ্য তোমাদের (ছাত্রলীগ) অর্জন মনে করিয়ে দেয়া। আমরা কোন দলের রাজনীতি করিনা আমারা বঙ্গবন্ধুর আদর্শের অনুসারী। কেউ কখনো এই স্থান থেকে এক চুলও নড়াতে পারবেনা উল্লেখ করে তিনি বলেন, যারা বঙ্গবন্ধুর চামড়া দিয়ে জুতা বানাবে বলেছিলো, হাড় দিয়ে বলেছিল বানাবে ডুগডুগি, তাদের নিয়ে যখন দেখি সরকারের মন্ত্রী পরিষদ গঠিত হয় সেখানেই দুঃখ লাগে। এসময় ভারতের তিস্তা চুক্তি সম্পন্ন করে বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কণ্যা হিসেবে নিজেকে প্রমাণ করার আহ্বান জানান তিনি।

    উল্লেখ্য, একাত্তরের ২৩ মার্চ জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দির্দেশে স্বাধীন বাংলা কেন্দ্রীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ পল্টন ময়দানে জয় বাংলা বাহিনীর কুচকাওয়াজের মাধ্যমে সর্বপ্রথম আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীন বাংলার পতাকা উত্তোলন করেছিল। তারপর মিছিল করে পল্টন হতে বঙ্গবন্ধুর বাসভবনে পৌঁছে সংগ্রাম পরিষদের পক্ষে ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি নূরে আলম সিদ্দিকী স্বাধীন বাংলার পতাকা বঙ্গবন্ধুর হাতে তুলে দেন।

    আলোচনা অনুষ্ঠানে আরও অংশ নেন, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিপি লে. কর্ণেল (অব.) নূর নবী খান, সাবেক পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ও ছাত্রলীগ ফাউন্ডেশনের সদস্য আবুল হাসান চৌধুরী, ছাত্রলীগের সাবেক নেতা শাহীন রেজা নূর, তৎকালীন জগন্নাথ কলেজের সাবেক ছাত্র নেতা এ্যাডভোকেট কে এম সাইফুদ্দিনসহ অনেকেই। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন, মোস্তফা মহসীন মন্টু।

    Comments

    comments

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত