• শিরোনাম

    উষ্ণায়নের প্রভাবে উপকূলে ভয়ঙ্কর ক্রোকোডাইল সার্ক

    অগ্রবাণী ডেস্ক | শুক্রবার, ০৩ মার্চ ২০১৭

    উষ্ণায়নের প্রভাবে উপকূলে ভয়ঙ্কর ক্রোকোডাইল সার্ক

    এতদিন ব্রাজিল ও অস্ট্রেলিয়া উপকূলের মতো গ্রীষ্মপ্রধান সামুদ্রিক অঞ্চলেই তাদের দেখা যেত। এই প্রথম ব্রিটিশ উপকূলে পাওয়া গেল ক্রোকোডাইল শার্কের দেহ।

    কুমিরের মতো ধারালো দাঁতের সারি রয়েছে বলেই হাঙরের এই নাম। ব্রিটেনের কর্নিশ শহরের ন্যাশনাল মেরিন অ্যাকোয়ারিয়াম মিউজিয়াম কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, সম্প্রতি প্লাইমাউথের হোপ কোভ সৈকতে একটি ক্রোকোডাইল শার্কের মৃতদেহ পাওয়া গিয়েছে। মিউজিয়ামের কিউরেটর জেমস রাইট জানিয়েছেন, ‘ব্রিটেনের ইতিহাসে এই প্রজাতির হাঙরের কোনও উল্লেখ নেই। সাধারণত ব্রাজিল ও অস্ট্রেলিয়ার মতো গ্রীষ্মপ্রধান দেশে দিনের আলোয় তারা গভীর সমুদ্রে থাকে। রাতে তাপমাত্রা নামলে তারা তীরের কাছাকাছি খাবারের খোঁজে চলে আসে।’

    তিনি জানিয়েছেন, ‘এমন বিক্ষিপ্ত ঘটনা এর আগে দক্ষিণ আফ্রিকাতেও ঘটেছে। মনে হয় ব্রিটিশ সমুদ্রের নিম্ন তাপমানের কারণেই হাঙরটির মৃত্যু হয়েছে।’ কিন্তু কী কারণে অচেনা সামুদ্রিক অঞ্চলে চলে এল হাঙরটি? বিষয়টি শুধুই বিক্ষিপ্ত ঘটনা, না কি জীবজগতের নতুন কোনও ধারার প্রচলন তা খতিয়ে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা।

    বিশ্ব উষ্ণায়নের জেরে সাম্প্রতিক কালে সামুদ্রিক তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে হু হু করে বাড়ছে। এর জেরে প্রচলিত পথ ছেড়ে দুই মেরুর দিকে মুখ ফিরিয়েছে গভীর সমুদ্রের পরিযায়ী মাছের ঝাঁক। আন্তর্জাতিক সংরক্ষণ সংগঠনের বিলুপ্তপ্রায় জীবের লাল তালিকায় রয়েছে ক্রোকোডাইল শার্ক। নথি বলছে, ১৯৬০-এর দশকের পর থেকেই কমতে শুরু করে এই প্রজাতির হাঙর। উষ্ণায়ণের জেরে প্রব্রজন রীতি ভেঙে নতুন অচেনা পথে এসে তাদের অকালমৃত্যু দুঃখজনক তো বটেই, উদ্বেগেরও বিষয় বলে মনে করছেন পরিবেশবিদরা।

    এলএস/অগ্রবাণী

    Comments

    comments