• শিরোনাম

    আল্লাহ ছাড়া কারো অদৃশ্যের জ্ঞান নেই

    অনলাইন ডেস্ক | শুক্রবার, ১৭ মার্চ ২০১৭

    আল্লাহ ছাড়া কারো অদৃশ্যের জ্ঞান নেই

    আল্লাহ ছাড়া কারো গায়েব কিংবা অদৃশ্যের জ্ঞান নেই। এটা তার একক ক্ষমতা। পবিত্র কোরানে আল্লাহ বলেন, ‘তিনি আলিমুল গায়েব (অদৃশ্যের জ্ঞানী)। বস্তুত তিনি নিজের অদৃশ্যের বিষয় কারো কাছে প্রকাশ করেন না’ (সূরা জিন: আয়াত-২৬)। তিনি আরো বলেন, ‘তার কাছেই অদৃশ্য জগতের চাবি রয়েছে। এগুলো তিনি ছাড়া কেউ জানে না’ (সূরা আনআম: আয়াত-৫৯)। এখন কেউ যদি দাবি করে, সে গায়েব জানে কিংবা দাবি না করেও যদি গায়েবের কথা বলে, সে নিশ্চিতভাবে মুশরিকে পরিণত হবে।
    একশ্রেণীর গণক বা জ্যোতিষী টিয়াপাখি বা এই জাতীয় জিনিস দিয়ে হাত গণনা করে এবং ভবিষ্যতে তার কী বিপদ বা শুভ সংবাদ আছে এ ব্যাপারে সংবাদ প্রদান করে। কোনো কোনো জ্যোতিষী হাতের রেখা কিংবা রাশিচক্রের মাধ্যমে মানুষের হায়াত-মউত, সফলতা-ব্যর্থতা ইত্যাদির গায়েব বা অদৃশ্যের সংবাদ প্রদান করে। একশ্রেণীর পীরও এরূপ গায়েবের ব্যাপারে কথা বলে। তাদের কাছে আসা লোকদের অতীত জীবনের সংবাদ, কিংবা পীরের কাছে আসার আগে বাড়িতে কী পরিকল্পনা করেছিল, অপরিচিত লোকের নাম-ঠিকানা, বয়স ইত্যাদি বলে দেয়ার মাধ্যমে লোকদের চমৎকৃত করে দেয়। মানুষ এগুলো দেখে তারা গায়েব জানে বলে ধারণা করে। মূলত তারা এরূপ সংবাদ প্রদান করে দুষ্ট জিনদের সাহায্যে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে আল্লাহর নাফরমানি করার মাধ্যমে তারা দুষ্ট জিনদের বশ করে এসব ফায়দা হাসিল করে। হযরত আয়েশা (রা.) রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর কাছে গণকদের সম্বন্ধে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন, ওরা কিছু না। তখন আয়েশা (রা.) বললেন, কখনো কখনো তাদের কথা সত্য হয়। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, এতে সত্যতার কিছু অংশ যা জিনরা চুরি করে এবং তার বন্ধুর কাছে বলে, কিন্তু সে এর সঙ্গে একশটি মিথ্যা যোগ করে।’ জিনরা তাদের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষাকারী মানুষকে ভবিষ্যৎ সম্বন্ধে অবহিত করতে সক্ষম। কোরানে বর্ণিত পয়গম্বর হযরত সুলায়মান (আ.) এবং সাবার রানী বিলকিসের ঘটনায় এই ক্ষমতার সত্যতা পাওয়া যায়। সুলায়মান (আ.) একটি জিনকে রানী বিলকিসের দেশ থেকে তার সিংহাসন নিয়ে আসতে বললেন। এক শক্তিশালী জিন বলল, আপনি আপনার স্থান থেকে ওঠার আগেই আমি তা এনে হাজির করব এবং এই ব্যাপারে আমি অবশ্যই ক্ষমতাবান বিশ্বস্ত’ (সূরা নামল: আয়াত-৩৯)।

    Comments

    comments

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    ০৮ অক্টোবর ২০১৭

    এক পরিবারে ৪৬ জন হাফেজ

    ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৭